বিল গেটস এর জীবন কাহিনী | বিল গেটস এর উক্তি গুলো

বিল গেটস এর জীবন কাহিনী |  বিল গেটস এর উক্তি গুলো

বিল গেটস এর জীবন কাহিনী  । আমরা অনেকেই বিল গেটস এর নাম শুনেছি |  যারা যানেন না তাদের জন্য  বিল গেটস এর জীবন জানার প্রয়োজন রয়েছে | আপনি যদি বিল গেটস এর সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আপনার জন্য এই সময় এই পোস্টটি পড়া দরকার | বিলগেটস নামটা শুনলে অনেকেরই সর্বপ্রথম মনে আসে তা হলো টাকা।  ফোবর্স ম্যাগাজিন এর তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীর ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে দ্বিতীয় |  এখন হয়তো জানতে ইচ্ছে করে কিভাবে একটি সাধারণ ছেলে  মাইক্রোসফট কম্পানি চালু করল । কিভাবে এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পৃথিবীর বিখ্যাত ধনী ব্যক্তিদের  মধ্যে একজন হয়ে  উঠলেন | 

পোস্টে পৃথিবীর বিখ্যাত ধনী  বিল গেটস এর জীবন কাহিনী তুলে ধরব | এর সঙ্গে আলোচনা করবো বিল গেটস কত টাকার মালিক |  এবং তিনি কত টাকা ইনকাম করেন |  বিল গেটসের বাড়ি কেমন বিস্তারিত বলবো সবাইকে | আরো বলবো বিল গেটস আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা কেন |  বিল গেটস এর জীবন কাহিনী । 

 বিল গেটস এর জীবন কাহিনী

বিল গেটস এর জীবন কাহিনী  সম্পর্কে আমরা যদি কিছু তথ্য জানতে চাই তাহলে আমাদের কষ্ট করে প্রথম থেকে লাস্ট পর্যন্ত পড়া শেষ করতে হবে  | বিল-গেটস-এর-জীবন-কাহিনী তিনি পৃথিবীর সেরা ধনীদের কাতারে গেলেন কিভাবে এসব তথ্য আমাদের জানা দরকার | এখন আমরা বিল গেটস এর সম্পর্কে কিছু আলোচনা করব  | এবং সবকিছু জেনে নেব | 

বিল গেটস আসলে কে ? 

 বিল গেটস হলেন বিখ্যাত কম্পিউটার সফটওয়্যার কোম্পানি মাইক্রোসফট এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা | উইলিয়াম  হেনরি গেটস 3 যাকে আমরা একনামে চিনি আর তা হলো বিল গেটস |  বিল গেটস আমেরিকার বিজনেস ম্যাগনেট 13 বছর ধরে ধনীদের তালিকা প্রথম স্থান জয় করে আছেন | 

 বিল গেটস মাইক্রোসফট  কোম্পানির চেয়ারম্যান ,  এক্সেকিউটিভ অফিসার প্রধান সফটওয়্যার architect    প্রভূতি গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন অনেক বছর ধরে | আমরা সাধারণত বাড়িতে যে কম্পিউটার ব্যবহার করি সেটি তৈরি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রে তার অবদান অনেক।  প্রত্যেকের বাড়িতে কম্পিউটার পৌছানোর পেছনে বিল গেটস এর বিশাল ভূমিকা রয়েছে |  লোকে তাকে মাইক্রো কম্পিউটার এর বিপ্লবের জনক নামে ডাকে | 

 বিল গেটস  এর ছেলেবেলা 


আমেরিকা  সিটলেট ওয়াশিংটন নামের জায়গায় 28 অক্টোবর1955 সালে জন্মগ্রহণ করেন । তার বাবা ইউনিয়ন ইউনিয়ন উইলিয়াম গেটস , মা ছিলেন মেরি মাক্সওয়েল গেটস । তার পরিবারে ছিল আরো দুটি বোন ।  বিল গেটস এর বাবা ছিলেন একজন আইনজীবি তার মা United Way of America এবং first interstate Banc System  কোম্পানিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। 

বিল গেটসের competitive nature  কে সবার থেকে আলাদা করে রাখেন ।  আর এই competitive nature  বিল গেটস জীবনের প্রতিটি রন্দে ছিল ছেলেবেলা থেকে ।  কোন গেম বা যেকোনো বিষয়ে competition চোখে পড়ার মতো , যেকোন প্রতিযোগিতা  তাকে ভীষণ ভাবে ভীষণভাবে উৎসাহিত করত । বিল গেটস ছেলেবেলা থেকে মায়ের প্রতি খুব influenced ছিলেন । বিল গেটস এর বাবা মা তারা চাইতেন বিল গেটস একজন  লইয়ার হোক । বিল গেটস  Lakeside School   থেকে প্রাইমারি স্কুল পড়াশোনা সম্পন্ন করেন ,  সেখান থেকে তিনি ভালো রেজাল্ট করেন ।  বিল গেটস এর জীবন কাহিনী । 

বিল গেটস এর জীবনের টার্নিং পয়েন্ট

বিল-গেটস-এর-জীবন-কাহিনী , তিনি যখন স্কুলে পড়াশোনা করেন ,   মাদার্স ক্লাব তাদের স্টুডেন্ট দেরকে সেই সময় টেলি টাইপ মডেল 33 নাম এর কম্পিউটার গিফট করেছেন । তা ছিল বিল গেটস এর জীবনের প্রথম একটি টার্নিং পয়েন্ট । তখনকার সময় কম্পিউটার এত উন্নত মানের ছিল না শহরের একটি প্রধান কম্পিউটার  সাথে বিভিন্ন জায়গায় টার্মিনাল স্থাপন  হত । এবং  বিল গেটস এর কম্পিউটারের জন্য সময় কিনতে হতো ।  শুধু নিজের কাজ করার জন্য । 

প্রোগ্রামিং এর কাজ করার জন্য কার্ডের উপরে কোড লিখতে হতো ।  তা ঠিক আছে কিনা বারবার চেক করতে হত ।প্রোগ্রাম চেক করার জন্য মে্ইন কম্পিউটার কতৃপক্ষের কাছে কোডিংটি জমা দিতে হতো । ওই সময় কম্পিউটার খুব বেশি লোড নেওয়ার জন্য , একদমই উপযুক্ত ছিল না । 

বিল গেটস তিনি প্রথম থেকে ম্যাথামেটিক্স খুব ভালো অভিজ্ঞতা ছিলেন ,  ম্যাথামেটিক্স এর ভীষণ দক্ষ ছিলেন তিনি । 

বিল গেটস এরপর কম্পিউটার হাতে পায় , তারপর তিনি ভালোভাবে প্রোগ্রামিং  শিখেন ।  এবং তিনি প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেন ।  যা তিনি  tectac’toe  নামক গেমে implement  করেন  ।  বিল গেটস তার বন্ধুদের নিয়ে ছোট ক্লাব তৈরি করেন  ।  ক্লাবে সেইসময়ে কম্পিউটার সফটওয়্যার কোম্পানির গুলোর  bug তরুণী খুঁজে বের করার কাজ করতো ।  বিল গেটস ছোটখাটো প্রজেক্ট তৈরি করতেন ।  বিভিন্ন বিভিন্ন কোম্পানিতে এই   ছোটখাটো প্রজেক্ট  করার জন্য ।  তার প্রোগ্রামিং  স্কিল বেশ ভালো উন্নত হতে থাকে ।

মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠা   ।  বিল-গেটস-এর-জীবন-কাহিনী। 

বিল গেটস তিনি যখন হার্ভাড ইউনিভার্সিটি পড়াশোনা করেন  , সেই সময় উনার জীবনে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন চলে আসে । বিল গেটসের স্কুলের খুব কাছের বন্ধু ছিলেন পল এলেন , তিনি পরবর্তী সময়ে মাইক্রোসফ্ট এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হন ।  ওই সময় বাজারে আসে MITS Altair 8800 নামের একটি কম্পিউটার ।  এর উপর বেশ করে তৈরি করা হয়  । 

উইন্ডোজ এর সূচনা

মাইক্রোসফট কোম্পানি 1985 সালে কম্পিউটারের ইউন্ডোজ নামে  একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম চালু করে । সফটওয়্যার মার্কেটে অপারেটিং সিস্টেমটি খুব তাড়াতাড়ি জনপ্রিয়তা পায়। উইন্ডোজ জনপ্রিয়তা এর পিছনে কারণগুলো ছিল এগুলো হলো ;

১..উইন্ডোজ সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় ,  সেই মুহূর্ত সময়ে মার্কেটে এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমগুলোর  মধ্যে যেটি  খুব সহজ ছিল তা হল উইন্ডোজ ।

২. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস হলো একমাত্র উইন্ডোজকে জনপ্রিয় করে তোলার আরও একটি কারণ ।  উইন্ডোজ নিজের ছবি মধ্যে অপশন এ ক্লিক বাটন ক্লিক করার মাধ্যমে ধারণ নিয়ে আসতো । সেই সময়কার অন্যান্য অক্সাইড গুলো কমান্ড বেস্ট অপারেটিং মডেল ই কাজ করতেন । 

৩.  বিল গেটস অনেক বছরের প্রোগ্রামের দক্ষতা অভিজ্ঞতার কারণে তিনি সময় উইন্ডোজ এত বেশি অ্যাডভান্স হয়ে ওঠেন ।  বিল গেটস পরিবর্তন সময়ে আরো বেশি বেশি আপডেট করতেন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে । উইন্ডোজ এর বিভিন্ন ভার্সন বের করতে থাকেন । তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন  উইন্ডোজ আপডেট রিলিজ করেন।  কিছু ভাষণ তুলে ধরা হলো  । 

যে সকল ভার্সন  আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা লাভ করে তা হলো। 

উইন্ডোজ জনপ্রিয়তা কিছু ভাষণ তুলে ধরা হলো ;

  • Windows NT 
  • Windows XP
  •  Windows 2000
  • Windows Vista
  • Windows 7
  • Windows 8 and 8.1
  • Windows 10 latest

বিল গেটস পরিবর্তন করার সময় অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ছাড়াঅন্যান্য সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট এগুলো হলো ‘

  • Microsoft Word 
  • Microsoft teams
  • Microsoft OneDrive 
  • Microsoft OneNote 
  • Microsoft Outlook
  • Microsoft PowerPoint 
  • Microsoft Excel

বিল গেটসের বাড়ি

বিল গেটস সারা বিশ্বের সবথেকে ধনী ব্যক্তি ।তার বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জীবনসঙ্গী হিসেবে তিনি মেলিন্ডা গেটস কে ১৯৯৪ সালের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন । তোর জীবনসঙ্গিনী মেলিন্ডা গেটস পারুল প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। তাদের ঘরে রয়েছে তিনজন সন্তান যাদের নাম হচ্ছে Rory, Phoebe, Jenifer ।

১.বিল গেটস এর যতগুলো বাড়ি রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং প্রধান বাড়িটি ওয়াশিংটন ডিসি ন্যাশনাল অবস্থিত ।  তার বাড়ির সৌন্দর্য বর্ধনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ওয়াশিংটন এর লেকের   সৌন্দর্য ।  স্বাভাবিকভাবে যদি কোন বাড়ির পাশে থাকে তাহলে সেটা দেখতে ভালো লাগবে যেটা বিল গেটসের বাড়ির বেলায়ও ঘটেছে  । 

২.বিল গেটসের বাড়ি টি একটি পাহাড়ের উপরে অবস্থিত যা 66 হাজার স্কয়ার ফুট জায়গা জুড়ে বিস্তৃত । তার বাড়ির দিকে বলা হয় টর্চ মেনশন  । 

৩. রাজকীয় ধরনের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন বিল গেটসের বাড়িতে তার পরিপূর্ণ তাই রয়েছে ।  যেহেতু তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী লোকদের মধ্যে একজন তাই তার বাড়িটি রাজকীয় হবে এটাই স্বাভাবিক ।  এছাড়াও বিল গেটস গেটসের বাড়ি পাখি অপরুপ অপরূপ  সৌন্দর্য । 

৪. একটা আকর্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে বিলগেটস এর রাজকীয় বাড়ি তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়েছে তার তার সম্পদের মাত্র কয়েক শতাংশ । 

৫. এবার বিল গেটসের আর একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় আপনাদেরকে বলে দিচ্ছে তা হচ্ছে বিল গেটস খুবই গাড়ি প্রেমী ।  তাই তার রয়েছে আধুনিক এবং অ্যান্টিক সব গাড়ির সমাহার । 

৬. বিল গেটসের একজন নিকটতম প্রতিবেশী হচ্ছেন অ্যামাজন কোম্পানির মালিক জেফ বেজোস । 

বিল গেটস কত টাকা আয় করেন

স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের সকলের ভেতরে একটা কৌতুহল রয়েছে যে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি কত টাকা ইনকাম করেন ।  আপনি জেনে অবাক   হবেন যে  বিল গেটস প্রতি মাসে আনুমানিক  300 মিলিয়ন ডলার আয় করে  যা বাংলাদেশী টাকায় 2 হাজার 436 কোটি টাকা ।  এছাড়াও বিল গেটসের সমস্ত সম্পত্তির পরিমাণ ধারণা করা হয় যে 100 বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক হবে ।  

বিল গেটস চ্যারিটেবল এবং ট্রাস্ট সম্পর্কে জেনে নিন 

যেহেতু বিল গেটস পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি তার সম্পত্তির পরিমাণ অনেক বেশি স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে যে তুমি কি সব টাকা জমিয়ে রেখেছেন অথবা তিনি কি সব টাকায় নিজের জন্য খরচ করেন উত্তর হচ্ছেন না।  তার বেশ কিছু চ্যারিটেবল ট্রাস্ট রয়েছে তার মধ্যে কয়েকটির কথা তুলে ধরছি।  2000 সালে এবং তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস দুইজনে মিলে একটি চ্যারিটি ফাউন্ডেশন গড়ে তোলেন যার নাম হচ্ছে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন । 

এই ফাউন্ডেশন এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সেবামূলক কাজ  করা । বিল গেটস কত টাকা আয় করেন তার সিংহভাগ অংশ এইচ এল কেবল ট্রাস্টের মাধ্যমে খরচ করেন । বিল গেটসের গঠিত এই চ্যারিটেবল ট্রাস্ট হচ্ছে আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে বড় ট্রাস্ট । তার গঠিত এই চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এর মোট সম্পত্তির পরিমাণ হচ্ছে 6.8 বিলিয়ন মার্কিন ডলার ।  প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান মত বিল গেটসের ট্রাস্ট এর তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য রয়েছে । 

  •  প্রথমত চরম দরিদ্র তা থেকে মানুষকে বের করে আনা
  •  দুটি মানুষকে ইনফরমেশন টেকনোলজির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া
  •  তৃতীয় মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করা 

বিল গেটস এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি 

বিল গেটস যেহেতু পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এবং আমরা সাধারনত যার টাকা বেশি থাকেই সফল ব্যক্তি হিসেবে ধরে নেই ।  সেই দিক থেকে বিবেচনা করলে তিনি একজন সফল ব্যক্তি, তাই তিনি আমাদেরকে অনুসরণ করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি প্রদান করেছেন তা নিচে তুলে ধরা হলো ।

  • গরীব হয়ে জন্মানোটা আপনার দোষের নয় কিন্তু গরিব হয়ে মৃত্যুবরণ করাটা অন্যায় । 
  • আমি সব সময় অলস ব্যক্তি কে পছন্দ করব, যে কোনো কঠিন কাজ করার জন্য একমাত্র অলস ব্যক্তি সেই কাজটি সহজ করে করার উপায় বের করবে । 
  • সাফল্য একটি পরিপূর্ণ শিক্ষক এটি স্মার্ট মানুষের চিন্তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয় যে তারা কখনো ব্যর্থ হবে। 
  • যখন তোমার পকেট এ টাকা থাকবে তখন তুমি ভুলে যাবে যে তুমি কে কিন্তু যখন তোমার পকেট এ টাকা থাকবে না তখন সারা পৃথিবীর উপরে যাবে যে তুমি কে।  
  • অনেক কিছু শিখতে পারবেন সবচেয়ে অসুখী মানুষের প্রতি লক্ষ্য করুন। 
  • পুঁজিবাদ একটি বিস্ময়কর ব্যাপার যা মানুষের মাঝে প্রেরণা জোগায় এটার কারণে কিছু উদ্ভাবন হতে পারে কিন্তু পৃথিবীর সকল এর জন্য এটা মঙ্গল জনক নয়। 
  • আমি একবার পরীক্ষায় একটা সাবজেক্ট এ ফেল করেছিলাম কিন্তু আমার বন্ধু সেসব সাবজেক্টে পাশ করে ছিল কিন্তু এখন আমি একটি মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা আর সে মাইক্রোসফট এর একজন ইঞ্জিনিয়ার।  
  • আমার সন্তানরা যদি চায় তাহলে কাউকে 1000 ডলার বকশিশ দিতে পারে কারণ তারা পৃথিবীর সবথেকে ধনী ব্যক্তির সন্তান কিন্তু আমি কাউকে 5 ডলার বেশি বকশিশ দিতে পারব না কারণ আমার বাবা ছিলেন একজন আইনজীবী। 

বিল গেটসের ক্যারিয়ার হাইলাইট সংক্ষেপে

যেসকল গুণাবলীর কারণে বিল গেটস একজন সাধারণ ছেলে থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ধরা হলো। 

বিল গেটস এর ভেতরে সব সময় প্রতিযোগিতায় যে তার মনোভাব ছিল তাই তিনি সব সময় ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সেখানে বিজি হয়ে আসার সর্বাত্মক চেষ্টা করতেন। 

ছোটবেলায় প্রিপারেটরি স্কুল তাকে কম্পিউটারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় আর এটি ছিল তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার প্রথম   ধাপ।  তারপর থেকেই তিনি ধীরে ধীরে কম্পিউটারের ওপর দক্ষতা অর্জন করতে থাকেন। 

ইউনিভার্সিটি থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তার সঙ্গে ছিল বহু বছর ধরে শেখা বা অর্জন করা প্রোগ্রামিংয়ের নলেজ।  অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি পরবর্তীতে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের সফলতা অর্জন করতে পেরেছিলেন। 

তিনি তার মেধা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে তার প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং তার কোম্পানি অন্যান্য ডেভলপমেন্ট গুলো সফলতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যায়। 

ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি এমন কাউকে খুঁজে নিতে পছন্দ করতেন বা জীবনসঙ্গী হিসেবে এমন কাউকে বেছে নিয়েছেন যিনি টেকনোলজি সম্পর্কে কৌতুহলী। 

বিল গেটস এর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরিবার অনেক বেশি ভূমিকা রেখেছে।  বিল গেটসের মা যেমন প্রচুর টাকা ছিল তেমনি অনেক মানুষের সাথে পরিচয় ছিল।  এজন্যই মাইক্রোসফট কোম্পানির যদিও প্রথম দিক থেকে খুবই ছোট একটি কোম্পানি ছিল কিন্তু সেই ছোট কোম্পানিটিকে আইবিএম এর মত বড় কোম্পানির সাথে যুক্ত করতে পেরেছিলেন তার মায়ের কারণে। 

আজকের বিকেলে আমরা বিল গেটস এর জীবনী সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানার চেষ্টা করেছি।  বিল গেটসের ব্যক্তিজীবন ক্যারিয়ের জীবন,  সফলতার গল্প,  তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি সম্পর্কে আপনাকে বলেছি।   আমাদের ঘরে যে কম্পিউটারটির রয়েছে সেটার পেছনে ও বিল গেটস এর অবদান রয়েছে।  পৃথিবী অনেক অগ্রগামী হচ্ছে এই কম্পিউটারের কারণে।  এই কম্পিউটারের কারণে আমরা অনেক জটিল জটিল কাজ কে খুব সহজে সমাধান করতে পারছি।  জীবন জাপানে এসেছে নান্দনিকতা  আরামদায়ক হয়েছে প্রতিটি পদক্ষেপ। 

বর্তমানে বিল গেটস এর প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে কিন্তু বিল গেটস তার কাছ থেকে অবসর নিয়েছেন।  বর্তমানে তিনি তার কাছ থেকে অবসর নিয়ে বিভিন্ন ছোট খাটো কাজ করে দিন অতিবাহিত করেন।  অন্যান্য ইউটিউবারদের মত বিল গেটস এর একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে যেখানে তিনি দৈনন্দিন কার্যাবলীর অ্যাক্টিভ ব্লগ চ্যানেল পরিচালনা করেন। বিশ্বের জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল গুলোর মধ্যে বিল গেটসের চ্যানেলটি খুবই জনপ্রিয় একটি চ্যানেল। 

Reactions

Post a Comment

0 Comments